কাদেরকে যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না/যাচাই করতে হবে

কাদেরকে যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না/যাচাই করতে হবে - এই সংক্রান্ত মুল্যবান নছীহত

পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
وَتَعَاوَنُواْ عَلَى الْبرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُواْ عَلَى الإِثْـمِ وَالْعُدْوَانِ وَاتَّقُواْ اللهَ اِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ
তোমরা নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সহযোগিতা করো; পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সহযোগিতা করো না। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা।” এই পবিত্র আয়াত শরীফ অনুসরণে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে যাকাত দেয়া যাবে না, দিলে মহান আল্লাহ পাক উনার কঠিন শাস্তি পেতে হবে। যেমন: কেনানকে কিস্তিতে তোলা হয়নি।

৫টি স্তম্ভের ৩য় বা মধ্যবর্তী স্তম্ভ, যা ছাড়া দ্বীন ইসলাম নামক ঘর টিকবে না।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
আগে ঈমান, পরে আমল।যেমন- ক্বাদিয়ানী বাতিল, ‘খতম’ শব্দ মানেনা।অনুরূপ শিয়া, ওহাবী ইত্যাদি বাতিল ৭২ ফিরকা প্রত্যেকে জাহান্নামী।
এদেরকে যাকাতের অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করলে জাহান্নামী হতে হবে।
যেমন- মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ, বোমাবাজি, হরতাল, লংমার্চ করা, পবিত্র কুরআন শরীফ পোড়ানো, কোয়ান্টাম মেথড ইত্যাদি হারাম ও শরীয়তের খিলাফ কাজ করা; মাদ্রাসার নামে সন্ত্রাসী কাজ করা, বেআমল, বেপর্দা হওয়া এবং জাকির নায়েক ওরফে কাফির নায়েক এর মত হারাম ছবি তোলা, বেপর্দা হওয়া ও টাই পরা, আনজুমান মফিজুল ইসলাম নামে লাশ বিক্রি করে, অর্থ আত্মসাত করে ইত্যাদি গুমরাহীমূলক কাজে সাহায্য করা যাবে না।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফাসিকের প্রশংসা করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি এত গোসসা করেন যে, গযবের ভয়ে আরশে আযীম থরথর করে কাঁপতে থাকেন”।
ফাসিকের প্রশংসা করলেই যদি মহান আল্লাহ পাক উনার গযব নাযিল হয়, তাহলে ফাসিককে সাহায্য করলে কি ভয়াবহ অবস্থা হবে, তা চিন্তার বিষয়। কাজেই যারা ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্বাদা তরক করে বেপর্দা-বেহায়াপনা, হারাম খেলাধুলা, ছবি তোলা, টিভি-ডিশ চ্যানেল দেখা ইত্যাদি হারাম কাজে জড়িত তাদের এসব হারাম কাজে কোনো সাহায্য করা যাবে না।
মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্য কারো যেমন- বাসার কাজের লোক, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীদের খুশি করার জন্য রিয়া করে আমল করলে কবুল হবে না।
যাকাত প্রদানের নামে নিম্ন মানের কাপড় দিয়ে যাকাত উনাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হারাম।
সম্মানিত যাকাত উনার নামে মেলা করে যারা যাকাত সংগ্রহ করে তাদের যাকাত দিলে তা আদায় হবে না।

প্রচলিত ধারার কোন প্রতিষ্ঠান

মানুষের সততা, ন্যয়-নিষ্ঠা, নৈতিকতা বা সত গুণাবলীর শিক্ষা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশেষত: ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দ্বারা তাই সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যদি হক্ব হতো তাহলে তো সমাজে শান্তি শৃংখলা ইতমিনান থাকার কথা কিন্তু তা নাই বরং অশান্তি বিশৃংখলা, ফেতনা, ফাসাদ, মারামারি, কাটাকাটি, হত্যা, লুন্ঠন, বেপর্দা, বেহায়াপনা, সুদ, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, রক্তপাত ইত্যাদিতে পরিপূর্ণ । কাজেই সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হক্ব না, সঠিকভাবে কাজ করছে না। তাই যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষভাবে দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলি সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা নৈতিকতা শিক্ষা কেন্দ্র হওয়ার কথা অথচ তারাই সামাজিক সকল দোষে জঘন্যভাবে দুষ্ট।
  • পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সম্মান করে না
  • বে-আমল, বেপর্দা, বেহায়াপনায় অভ্যস্ত
  • ব্যাপকভাবে নকল করে
  • নৈতিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল কিনা
  • দুনিয়ালোভী: টাকার জন্যে ওয়াজ করে, ফতোয়া দেয়
  • সন্ত্রাসবাদ লালন করে: বোমা বানাতে গিয়ে কব্জি উড়ে গেছে, মসজিদে রক্তপাত করে
  • ইসলাম উনার শান মান বিনষ্টকারী: দাড়ি টুপি পড়ে অনৈসলামীক, অনৈতিক কাজ করে; সাধারণ মানুষ তাদের আচার আচরণে দূরে সরে যায়: ব্যাপকভাবে নাস্তিকতার বিস্তার

কাজেই এরা তাক্বওয়াধারী নয় বরং চক্রান্ত ও ষড়যণ্ত্রের শিকার

চক্রান্ত ও ষড়যণ্ত্রের শিকার : তাক্বওয়াধারী নয়-

  • আলিয়া
  • দেওবন্দী-কওমী(খারীজী)
  • অতি সুন্নী
  • বিবিধ: আহলে হাদীছ, তাবলীগী, জামাতী, খেলাফত মজলিশ ইত্যাদি



বৃটিশদের সৃষ্টি: বৃটিশ গুপ্তচর হেম্পার ওহাবী আক্বীদা ষড়যণ্ত্র করে বাতিল আক্বীদা ঢুকিয়ে দিয়েছে।
আন্তর্ধর্ম সম্মেলন: ৭০০ আয়াত শরীফ বাদ দিয়েছে (নাউজুবিল্লাহ) বে-আমল, বে-পর্দা

সম্প্রতি ভারতে মধ্যপ্রদেশের মাদরাসাগুলোতে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুদের নাপাক গ্রন্থ গীতা বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানোর কুফরী আদেশ জারি করেছে সেই প্রদেশের যালিম সরকার। অথচ ভারতের দেওবন্দীরা এর কোনো প্রতিবাদ তো করেনি, বরং অনেক আগে থেকেই তারা হিন্দুতোষণে বেশ পটু হয়ে উঠেছে। তাদের সে সব হিন্দুতোষণের নমুনা নিচে তুলে ধরা হলো:
  • ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার ১৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ৩০তম মাহফিলে হিন্দু কংগ্রেসের দালাল ‘জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ’-এর মাওলানাদের আমন্ত্রণে হিন্দুদের প্রধান প-িত ইয়োগা গুরু সোওয়ামী রামদেব উপস্থিত হয়ে উক্ত মাহফিলে গীতা পাঠ করে শোনায়। আর রামদেবের সাথে সাথে দেওবন্দী মাওলানারা ও ছাত্ররা গীতা পাঠ করে এবং যোগ ব্যায়াম করে। এমনকি উক্ত যবন রামদেব বলে যে, নাঊযুবিল্লাহ! (সুত্র: http://goo.gl/2E2IZl)
  • এই দেওবন্দীরাই ২০১১ সালে ফতওয়া দিয়েছিল যে, দেওবন্দী ও হিন্দুরা ভাই ভাই।” (নাউযুবিল্লাহ) (সুত্র: http://goo.gl/AQlRga)
  • দেওবন্দীরা আরো ফতওয়া দিয়েছিল যে, “হিন্দুদের কাফির বলা যাবে না।” (নাউযুবিল্লাহ) (সুত্র: http://goo.gl/0WE5rO)
  • গত ২০১১ সালে তারা ফতওয়া দিয়েছে, “মুসলমানদের গরু কুরবানী দেয়া উচিত নয়; কারণ গরু হিন্দুদের দেবতা।” (সুত্র: http://goo.gl/fH0YCm)

দেওবন্দী মালানাদের কুফরী আক্বীদা ও ফতওয়া

  • “মহান আল্লাহ পাক তিনি মিথ্যা বলতে পারেন।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া ১ম খ-: পৃষ্ঠা-১৯, রশিদ আহমদ গাংগুহী, তালিফাত রশিদিয়া, কিতাবুল আক্বাইদ অধ্যায়, পৃষ্ঠা-৯৮, খলীল আহমদ আম্বেঢী, তাজকিরাতুল খলীল, পৃষ্ঠা ১৩৫, মেহমুদ হাসান, আল-জিহাদুল মুগিল, পৃষ্ঠা ৪১)
  • “মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দা ভবিষ্যতে কি করবে তা আগে থেকে বলতে পারেন না। বান্দা কর্ম-সম্পাদনের পর তিনি তা জানতে পারেন।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (হুসাইন আলী, তাফসীরে বুঘাতুল হাইরান, পৃষ্ঠা ১৫৭-১৫৮)
  • “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জ্ঞানের চেয়ে হযরত আযরাঈল আলাইহিস সালাম উনার ও শয়তানের জ্ঞান বেশি।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (খলীল আহমদ আম্বেঢী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা-৫১)
  • “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের ভাগ্য সম্পর্কে জানতেন না। এমনকি দেয়ালের ওপাশ সম্পর্কেও না।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (খলীল আহমদ আম্বেঢী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা-৫১)
  • “নবীর (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার) যদি কিছু ইলমে গায়েব থেকেও থাকে, তাহলে এতে তাঁর বিশেষত্ব কী? এমন ইলমে গায়েব তো সকল চতুষ্পদ জন্তু, পাগল ও শিশুরও আছে।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (আশরাফ আলী থানবী, হিফজুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৭
  • “রহমতুল্লিল আলামীন- এটা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কোনো বিশেষ লক্বব নয়। উনার উম্মতও ‘রহমতুল্লিল আলামীন’ হতে পারে।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া ২য় খ-: পৃষ্ঠা-১২)
  • “সাধারণ মানুষের কাছে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাতামুন নাবিইয়ীন হলেও বুযুর্গ ব্যক্তির কাছে নয়।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন্নাছ, পৃষ্ঠা-৩)
  • “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আগে বা সর্বশেষে আসার মধ্যে কোনো ফযীলত নেই। ফযীলত হলো মূল নবী হওয়ার মধ্যে। উনার পরে যদি এক হাজার নবীরও আগমন মেনে নেয়া হয় তাতেও হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খতমে নবুওয়তের কোনো রূপ বেশ-কম হবে না।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন্নাছ, পৃষ্ঠা-২৫)
  • “একজন নবীর জন্য সকল মিথ্যা থেকে মুক্ত ও নিষ্পাপ হওয়ার প্রয়োজন নেই।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (কাশেম নানুতুবী, শফীয়াতুল আক্বাইদ, পৃষ্ঠা ২৫)
  • “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তাগূত (শয়তান) বলা যায়।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (হুসাইন আলী, তাফসীর বুঘাতুল হাইরান, পৃষ্ঠা ৪৩)
  • “আমলের মাধ্যমে নবী-রসূলের চেয়ে নবী-রসূলগণের উম্মত বেশি মর্যাদাবান হয়।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক!(কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন নাছ, পৃষ্ঠা ৫)
  • “আমি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পুলসিরাত হতে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছি।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (হুসাইন আলী, তাফসীর বুঘাতুল হাইরান, পৃষ্ঠা ৮)
  • “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ (জন্মদিন) উপলক্ষে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা আর হিন্দুদের দেবতা কৃষ্ণের জন্মদিন পালন করা একই।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা ১৪৮)
  • “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষত্ব দাজ্জালের মতো।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (কাশেম নানুতুবী, আবে হায়াত, পৃষ্ঠা ১৬৯)
  • “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের বড় ভাই এবং আমরা উনার ছোট ভাই।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা ৩)
  • “হোলি ও দিওয়ালীর ভোগ খাওয়া এবং উপহার গ্রহণ করা সওয়াবের কাজ।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (ফতওয়ায়ে রশিদিয়া, ২য় খ-, পৃষ্ঠা ১২৩)
  • “রসূল (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মরে মাটির সাথে মিশে গেছেন।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (ফতওয়ায়ে রশিদিয়া)
  • “কোন কিছু ঘটানোর জন্য হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইচ্ছা পোষণ করার গুরুত্ব নেই।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (কাশেম নানুতুবী প্রণীত আবে হায়াত, পৃষ্ঠা ১৬১)
  • “নবী-রসূলদের মোজেজার চেয়ে যাদুকরদের যাদু সর্বোকৃষ্ট হতে পারে।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (ফতওয়ায়ে রশিদিয়া, ২য় খ-, পৃষ্ঠা ৩৫)
  • “যে বলবে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাজির-নাযির সে কাফির।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (গোলামুল্লাহ খান প্রণীত যাওয়াহিরুল কোরান)
  • “ইয়া রসূলুল্লাহ- এই বাক্যটি কুফরী কালিমা।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (ফতওয়ায়ে রশিদিয়া)

কওমী তান্ডব:ক্বোরআন শরীফ পোড়ানো (নাউজুবিল্লাহ)



ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ছাড়াও দুনিয়াবী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ‘আর্ত মানবতার সেবায় নিয়োজিত’, ‘জনকল্যানমূলক সংস্থ্যা’ ইত্যাদি দাবি করে প্রতারণা মূলকভাবে দান, ছদকা, যাকাত, কুরবানীর চামড়া চেয়ে থাকে; তাদের সম্পর্কে জেনে সতর্ক থাকতে হবে। এরা মানুষকে ধোঁকা দিয়ে সমাজে ব্যবসা করে যাচ্ছে, মানুষের দান ছদকা নিয়ে নানা হারাম ও কুফরী কাজে, অমুসলিমদের সহায়তার কাজে ব্যবহার করছে। যেমন এখানে দুইটি প্রতিষ্ঠানের ‍উদাহরণ দেয়া হল

১) আনজুমান মুফিদুল ইসলাম:

এই প্রতিষ্ঠানটি কথিত ফ্রি লাশ পরিবহন, ফ্রি দাফন সেবার নামে দেশ থেকে যেমন যাকাত,ফিৎরা, দান, ছদকা বিভিন্নভাবে অর্থ সংগ্রহ করছে তেমনি বিদেশ থেকেও বিভিন্ন এজেন্টের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ডোনেশন সংগ্রহ করছে। এই পদ্ধতিতে বর্তমানে এটি বিশাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।


১) বিধর্মীদের সহায়তা করেঃ শুধু মুসলমান নয়, র্বতমানে সকল র্ধমরে মানুষ এই সংস্থার সবো পযে়ে থাকে। (http://bn.wikipedia.org/wiki/আঞ্জুমান_মুফিদুল_ইসলাম-ঢাকা )
২) আনজুমানে মফদিুল ইসলামরে অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দশ্যে হচ্ছে র্ধম, র্বন, গোত্র নর্বিশিষেে দুঃস্থ ব্যক্তদিরেকে বনিামূল্যে চকিৎিসা সবো প্রদান। (http://goo.gl/IXv9cJ) সকল বর্ধিমী হছে মুসলমানদরে শত্রু। তাহলে মুসলমানদরে কাছ থেকে যাকাত, ফিতরা, দান, সদকা, কুরবানীর চামড়ার টাকা সংগ্রহ করে সইে টাকা দয়িে মুসলমানদরে শত্রুদরে সহযোগতিা করা কি গ্রহণযোগ্য কোনো বিষয়?
৩) আনজুমান মফিদুল থেকে লাশ সিদ্ধ করে হাড় বিক্রি....(https://goo.gl/7iB7Px)
লাশ থেকে গোশত আলাদা করতে চুক্তি হয় = ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা থেকে ৮০ হাজার/৯০ হাজার টাকা।
লাশগুলো গার্ডিয়ানরা দেখতে আসলে রিসিপ্ট দেখিয়ে দেয়া হয়। যেখানে লাশের উল্লেখ থাকেনা। কারণ লাশগুলো আগেই বিক্রি হয়ে যায়।
১৮ জানুয়ারি ২০১৪ : লাশকাটাঘর, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ: ৭টি লাশ নেয়া হয় জুরাইন কবরস্থানে। জানাযা-দাফনের পর যিনি দাফন করেছেন তার বক্তব্য হলো- লাশের সংখ্যা ৩টি। ১ জন মহিলা ও ২ জন পুরুষের।
দুই মাস পর ২০ মার্চ- লাশকাটাঘর, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ: ডোমকে জিজ্ঞাসা করা হলে- ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ তে কয়টি লাশ মফিদুলকে দেয়া হয়, কাউন্টারে রশিদ বইয়ে উল্লেখ অনুযায়ী মোট ১৩টি। অর্থাৎ ৩টি কবর দিয়ে বাকি ১০টির গোশত আলাদা করে হাড্ডিগুলো পাচার করা হয়। নাউযুবিল্লাহ!

২) কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন:



এটি সম্পূর্ণরুপে কাফির মুশরিকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যম দিয়ে অর্থ সংস্থান করে হারাম ও কুফরী কাজে বিনিয়োগ করে ব্যবসা করে। তারা মানুষের মগজ ধোলাই করে শুধু পয়শাই আদায় করে না, ফ্রি রক্তদান কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের দেয়া রক্ত বিক্রি করেও পয়শা সংগ্রহ করে ব্যবসা করে।বর্তমান সমাজে কোয়ান্টাম এক কুফরী মতবাদ। কেউ কোথাও দেখাতে পারবে কি কোয়ান্টাম নামে কোন শব্দ পবিত্র কুরআন –পবিত্র হাদীস শরীফে আছে ? অথচ এই হারামে পরিপুর্ন কোয়ান্টাম আজ ইসলাম উনার নাম ভাংগিয়ে ফায়দা হাসিল করছে।
১. এই কোয়ান্টামের যে প্রধান তাকে তারা গুরুজি (গরুজি) বলে ডাকে । গুরুজি শব্দ হিন্দু, বোদ্ধরা ব্যবহার করে থাকে। অর্থাৎ তার নাম দিয়েই বুঝা যায় সে কিসের অনুসারী । (http://tinyurl.com/pxmtcv7)
২. এই গরুর সারা শরিরে সুন্নতের লেশমাত্র নাই । তারে দেখলে মনে হয়না মুসলমান। মেডিটেশনের নাম দিয়ে হরহামেশা বেপর্দা হয়, নানা রকম অঙ্গভঙ্গি করে (নাউযুবিল্লাহ)। (http://quantummethod.org.bd/eid-molakat)
৩. তারা নাকি মেডিটেশনের নামে শান্তি খুজে (নাউযুবিল্লাহ)? অথচ আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেছেন” সাবধান! নিশ্চয় যিকিরের মাধ্যমে অন্তর প্রশান্তি লাভ করে” । তাহলে এরা যিকির না করে কিসের শান্তি তালাশ করে ? এরা ইবলিশি শান্তি তালাশ করে।
৪. বান্দরবানের লামায় তারা কোয়ান্টাম কসমো স্কুল খুলেছে। এখন এখানে রয়েছে ১৬ টি জাতিগোষ্ঠীর ৫ শত শিশু। মুসলিম ছাড়াও হিন্দু, বৌদ্ধ, ক্রামা, খ্রিষ্টান এবং প্রকৃতিপূজারী সহ সকল ইসলামবিদ্বেষিরা মুসলমানের যাকাতের টাকায় তরুতাজা হচ্ছে। এরাই বড় হয়ে জুম্মল্যান্ড রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে । (http://quantummethod.org.bd/node/1146)
৫. যে ‘শিশু কানন’ মুসলমানের যাকাতের টাকায় খুলেছে তার সভাপতি ,সহসভাপতি অমুসলিম । (http://quantummethod.org.bd/node/1615)
৬.তারা ইয়াতীমদের সাহায্যের নাম দিয়ে কোটি কোটি টাকা কুরাবনীর চামড়া ও যাকাতের টাকা আদায় করছে । অথচ যাকাতের ৮ টি খাতের মধ্যে কোন খাতেই আওতায় এরা আসেনা। তারা যাকাতের যে ৮ টি খাত উল্লেখ করেছে (ভুল অর্থ দিয়ে) তার মধ্যেও এই কুফরি কোয়ান্টাম পড়েনা। এরা যাকাতের টাকা মুসলমানের পিছনে করছে না করে করে কাফিরদের জন্য। (http://zakat.qm.org.bd)
৭.মুসলমানের জন্য আফসোস যে কোয়ান্টাম হারাম খাতে যাকাত ব্যয় করার কথা জেনেও গতবছর প্রায় ৬ কোটি টাকা যাকাত দিয়েছে । নাউযুবিল্লাহ (http://zakat.qm.org.bd)

প্রশ্ন আসতে পারে এ টাকা তারা করে কি ? তারা মুসলমানের টাকা উঠিয়ে এ টাকা পাহাড়ে সন্ত্রাসী বোদ্ধদের পিছনে খরছ করছে ,ইসলাম ধ্বংসের কাজে খরছ করছে, বাকি টাকা আত্বসাত করে মউজ-মাস্তি করছে। মুসলমানের আকল সমঝ নষ্ট হয়ে গিয়েছে । যার কারনে প্রকাশ্যে কুফরি ও শরিয়ত খিলাপ কাজ করার পরেও মুসলমান নামধারী জাহিলেরা কুফরী মতবাদ কোয়ান্টামে যাকাত প্রদান করছে !! মহান আল্লাহ যাকাত ব্যয়ের যে ৮টি খাত নির্দিষ্ট করেছেন তাতে ফকির-মিসকিন বলা আছে। ঈমানদার ফকির-মিসকিন বলা হয় নি। আর খোলাফায়ে রাশেদার আমলে খেলাফতে বসবাসকারী ধর্ম-গোত্র নির্বিশেষে প্রতিটি ব্যক্তির ন্যূনতম প্রয়োজন পূরণের দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করেছে। বায়তুল মাল থেকে এ প্রয়োজন পূরণ করা হতো। আর যাকাতের অর্থ বায়তুল মালেই জমা হতো। তাই যেকোনো দুস্থ ও নিঃস্ব মানুষের কল্যাণে যাকাতের অর্থ ব্যয়ে কোনো বাধা নেই।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ ۖ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
“তোমরা নেকি ও তাক্বওয়া-পরহেযগারীতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও বদী সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। এ ব্যাপারে, আল্লাহ পাক উনাকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক কঠিন শাস্তিদাতা ”
১.সমর্থন করা যাবেনা, করলে সমপরিমাণ গুণাহ
২. প্রশংসা করা যাবে না, করলে চরম গযব
৩. সহযোগিতা প্রশ্নই উঠেনা, কঠিন শাস্তি
৪. বরং বাধা দিতে হবে, নচেৎ ঈমানহারা হবে
আপনার দান, সদকা, মানত, কাফ্ফারা, যাকাত, ফিতরা, ওশর, পবিত্র কুরবানীর চামড়া অসতর্কতার কারণে ভূল প্রতিষ্ঠানে চলে যেতে পারে। আর এই রকম ভূল বা নাহক্ব জায়গায় গেলে সেটা আল্লাহর পাক উনার সন্তুষ্টি অর্জন হবেনা বরং বদ আক্বিদা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভূক্ত প্রতিষ্ঠানে দেয়ার জন্য আল্লাহ পাক উনার অসুন্তুষ্টি আসবে, ক্ববুল হবেনা।

বাতিল ফিরক্বা/ফাসিক-ফুজ্জারকে সহায়তা করলে

  • মানবিকগুণ সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা তৈরী হচ্ছে না বরং পশুত্ববোধ জাগ্রত হয়
  • অন্যায়, অসৎ কাজে সহযোগীতা করা হয়
  • কোরবানী কবুল হচ্ছে না: অণুত্তীর্ণ
  • রহমত নাই, সন্তুষ্টি পাওয়া যাচ্ছেনা বরং ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সমাজ, উপার্জন সবক্ষেত্রে অসন্তুষ্টি ও লা’নত প্রাপ্ত হয়ে অশান্তি, আযাব, গযবে গ্রেপ্তার হতে হচ্ছে।

উদ্দেশ্য কি ছিল:দান, সদকা, মানত, কাফ্ফারা, যাকাত, ফিতরা, ওশর, কুরবানীর চামড়া দেয়া হয় কি জন্যে

  • দারুল আরকাম শরীফ ও দরবারে নববী শরীফ
  • একইভাবে, আমাদেরও উদ্দেশ্য মানুষের উপকার হবে, দ্বীনদারী হবে, তলিবে ইলমদের দ্বারা
    ক্বোরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ উনাদের চর্চা হবে, ইসলাম উনার খিদমত হবে, আল্লাহ পাক সন্তুষ্ট হবেন, রহমত, বরকত সাকিনা পাওয়া যাবে, শান্তি পাওয়া যাবে।
  • খাদ্য ও পানীয়
  • বস্ত্র
  • চিকিৎসা = বিনামূল্যে
  • বাসস্থান
  • শিক্ষা = ফ্রি/অবৈতনিক
  • বিবাহ
  • শিক্ষা = ফ্রি/অবৈতনিক
  • জনকল্যাণ
  • জন সচেতনতা
  • বিশেষ কার্যক্রম
  • অসংখ্য মসজিদ-মাদরাসা ও কবরস্থান তৈরি এবং বেওয়ারিশ লাশ দাফন
  • শরয়ী পর্দার মাধ্যমে উন্নত মহিলা চিকিৎসা